বাংলাদেশ ৩৫ রান তুলতেই টপ অর্ডারের ৫ ব্যাটারকে হারিয়ে ফেলে। দলের এমন বিপর্যয়ে হাল ধরেছেন জাকের আলি ও তাওহিদ হৃদয়। এই দুজন মিলে ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে অবিচ্ছিন্ন থেকে ১১৫ রান যোগ করে দলকে লজ্জার হাত থেকে বাঁচিয়ে এখন চ্যালেঞ্জিং পুঁজি গড়ার লক্ষ্যে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।
এ প্রতিবেদন লেখার সময় বাংলাদেশ ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রান করেছে। দুজনেই নিজেদের অর্ধশতক পূর্ণ করেছেন।
২ রানে ২ উইকেট হারানোর পর তানজিদ তামিম মেহেদি হাসান মিরাজকে নিয়ে জুটি গড়ার চেষ্টা করছিলেন। তবে চারে নেমে মিরাজ সুবিধা করতে পারেননি। শামির করা সপ্তম ওভারের দ্বিতীয় বলটি ছিল আউটসুইংয়ার, অফ স্টাম্পের বাইরের বলে কাট করতে গিয়ে স্লিপে শুভমান গিলের হাতে ধরা পড়েন মিরাজ। সাজঘরে ফেরার আগে ১০ বলে ৫ রান করেন তিনি।
অষ্টম ওভারে প্রথমবারের মতো স্পিন আক্রমণে যান রোহিত শর্মা। আক্সার প্যাটেলের করা ওভারের দ্বিতীয় বলটি অফ স্টাম্পের বাইরে পড়ে সামান্য টার্ন করে বের হয়ে যাওয়ার সময় ড্রাইভ করতে গিয়ে তামিম ব্যাটের কানায় আঘাত পেয়ে রাহুলের হাতে ধরা পড়েন। ২৫ বলে ২৫ রান করেন তামিম।
তামিমের বিদায়ের পর উইকেটে আসেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহি্ম। কিন্তু মুশফিক দায়িত্বহীনতার পরিচয় দেন। নিজের খেলা প্রথম বলেই ডিফেন্স করতে গিয়ে এজ হয়ে রাহুলের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরেন। গোল্ডেন ডাক খেয়ে তিনি ফিরে যান।
হ্যাটট্রিক বলটিও একই জায়গায় করেছিলেন আক্সার প্যাটেল। সেখানে মুশফিকের আউটের পুনরাবৃত্তি হতে পারতো, কিন্তু রোহিত শর্মার কল্যাণে বেঁচে যান জাকের। তার ব্যাটের কানা ছুঁয়ে বল প্রথম স্লিপে দাঁড়িয়ে থাকা রোহিতের হাতে চলে যায়, তবে সহজ ক্যাচটি রাখতে পারেননি ভারত অধিনায়ক। ফলে আক্সার সামনে হ্যাটট্রিকের সুযোগটি মিস হয়।