জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করবে। পাশাপাশি, তারা গণপরিষদ এবং জাতীয় সংসদ—উভয় নির্বাচনেই একক প্রার্থী দেবে।
রংপুরে যমুনা টেলিভিশনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা জানান এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন।
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আবেদন এবং মার্কার প্রস্তুতি শেষের দিকে জানিয়ে আখতার হোসেন বলেন, উচ্চ আদালতের রায়ের ভিত্তিতে কমিশনে আবেদন জমা দেয়া হবে। ইসিতে নিবন্ধিত হতে যে শর্তগুলো রয়েছে, যেমন ২১টি জেলা ও ১০০টি উপজেলায় কমিটি ও অফিস থাকা, তা খুব শিগগিরই পূর্ণ করা সম্ভব হবে। এনসিপি সদ্য যাত্রা শুরু করেছে, তবে তাদের যাত্রায় গণমানুষের সমর্থন রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এনসিপি সংস্কার ও বিচারকে দৃশ্যমান করার ওপর গুরুত্ব দেয়, এবং গণপরিষদ নির্বাচনের বাস্তবতার আলোকে সরকারের কাছ থেকে তাদের কর্মসূচি গ্রহণের দাবি জানায়। আখতার হোসেন বলেন, যদি সরকার সংস্কারবিহীনভাবে দেশ ছেড়ে দেয়, তবে তারা জনগণের সমর্থনে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবেন।
তিনি আরও বলেন, সরকারকে জুলাই ঘোষণাপত্র বাস্তবায়ন করতে হবে, যা শুধু ঐতিহাসিক নয়, বরং একটি আইনি বাধ্যবাধকতার দলিল হতে হবে। তিনি মনে করেন, জুলাই ঘোষণাপত্রে একটি আইনি বাধ্যবাধকতার জায়গা থাকা উচিত, যাতে এটি নিছক একটি ঐতিহাসিক দলিল না হয়ে, বাস্তব কার্যকরী পদক্ষেপ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
এনসিপির এ নেতা আগামী নির্বাচনে রংপুর-৪ আসনে কাউনিয়া-পীরগাছা এলাকা থেকে লড়বেন। এজন্য তিনি এলাকায় ব্যাপক দৌড়ঝাঁপ করছেন এবং ঈদের নামাজের পর শহীদদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। এর আগে, গত ২৭ মার্চ রংপুরে ৬ দিনের সফরে এসে ভ্যান গাড়িতে গণসংযোগ করেন আখতার হোসেন।