বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি'র চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট
দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলের পরবর্তী
শুনানির জন্য আগামীকাল (৮ জানুয়ারি) দিন ধার্য করেছেন আদালত।
আজ (৭ জানুয়ারি) প্রধান
বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত
আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ দিন ধার্য
করেন।
আদালতে
খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল, অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম, ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম, অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান, অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন, অ্যাডভোকেট ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া, ব্যারিস্টার সানজিদ সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট মাকসুদ উল্লাহ, অ্যাডভোকেট আজমল হোসেন খোকন। আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আসিফ হোসাইন।
খালেদা
জিয়ার আইনজীবীরা শুনানিতে বলেন, হাইকোর্ট বিভাগ এ মামলায় খালেদা
জিয়াকে যে সাজা দিয়েছেন
তাতে আইনের মারাত্মক ব্যত্যয় হয়েছে। শুধু তাই নয়, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের যে অর্থ আত্মসাতের
কথা বলা হয়েছে, সেই অর্থও সুরক্ষিত আছে, সেই অ্যাকাউন্টে তা সুরক্ষিত আছে।
তারা আরো বলেন, খালেদা জিয়াকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতেই এ রায় দেওয়া
হয়।
এর
আগে সকাল ১০টায় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১০ বছরের সাজার
বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার আপিল শুনানি শুরু হয়। গত বছরের ১১
নভেম্বর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাজার বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার লিভ টু আপিল (আপিলের
অনুমতি চেয়ে করা আবেদন) মঞ্জুর করেন আপিল বিভাগ। পাশাপাশি খালেদা জিয়াকে দেওয়া ১০ বছরের সাজা
স্থগিত করেন আদালত। পাশাপাশি খালেদা জিয়াকে আপিলের সার সংক্ষেপ দুই সপ্তাহের মধ্যে দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।
সোমবার
(৬ জানুয়ারি) আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
গত
বছরের ৩ নভেম্বর জিয়া
অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে ১০ বছরের সাজার
বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলের শুনানির
জন্য ১০ নভেম্বর দিন
ধার্য করেন চেম্বার আদালত।