ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি যৌথ হামলার পর থেকে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি খাতে অস্থিরতা শুরু হয়েছে। সেই ঢেউ এসেছে বাংলাদেশেও। দেশজুড়ে তেলপাম্পে দেখা যাচ্ছে দীর্ঘ লাইন। জ্বালানি সংকটের অভিযোগ তুলছেন গ্রাহকরা। সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে- জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই।
দেশে কোন তেল কতটুকু মজুদ আছে সে তথ্য জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী ব্রিফিং করে জানান, জ্বালানি তেলের কোন সংকট নেই।
দেশে বর্তমান ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ মেট্রিকটন ডিজেল, ৭ হাজার ৯৪০ মেট্রিকটন অকটেন, ১১ হাজার ৪৩১ মেট্রিকটন পেট্রোল ও ৪৪ হাজার ৬০৯ মেট্রিকটন জেট ফুয়েল মজুদ রয়েছে বলে জানান তিনি।
ডিপো থেকে চাহিদামতো জ্বালানি তেল না পাওয়ার অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, গত বছর এ মাসে যে পরিমাণ তেল দেয়া হয়েছে, তা স্ট্যার্ন্ডাড ধরে পাম্প মালিকদের তেল দিচ্ছে সরকার।
এদিকে এলএনজি নিয়েও চিন্তার কোন কারণ নেই বলে জানিয়েছেন। দেশে পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। এলপিজির চাহিদা ১ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিকটন। আমদানি হয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার মেট্রিকটন।
অন্যদিকে জ্বালানি তেলের সুষম বণ্টন করতে ফুয়েল কার্ড আনছে সরকার। সেই সিদ্ধান্ত মোতাবেক ফুয়েল কার্ড অ্যাপও তৈরি করছে মন্ত্রণালয়। আগামী দুয়েক সপ্তাহের মধ্যে সরকার এই কার্ড চালু করবে বলেও জানান জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব।
সরকার পরিস্থিতি ও তেল মজুদ ও অনিয়মের কারণে গত ২৪ ঘন্টায় ৩৯১ টি অভিযান চালানো হয়েছে যেখানে মামলা হয়েছে ১৯১টি।