× প্রচ্ছদ বাংলাদেশ বিশ্ব রাজনীতি খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফ স্টাইল ভিডিও সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে সুখবর দিলেন পাম্প মালিকরা

ডেস্ক রিপোর্ট।

১৫ মার্চ ২০২৬, ১৯:৩৭ পিএম

ছবি: সংগৃহীত।

সোমবার সারা দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পাম্প মালিকরা। তারা জানান, ইতোমধ্যে অনেক ফিলিং স্টেশনে তেল পৌঁছাতে শুরু করেছে। সোমবারের (১৬ মার্চ) মধ্যে কোনো ধরনের সংকট থাকবে না। রবিবার (১৫ মার্চ) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সঙ্গে এক বৈঠকের পর বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাজমুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘আমি আশা করছি আগামীকাল সন্ধ্যার মধ্যে জ্বালানি তেলের কোনো ঘাটতি থাকবে না। ইতোমধ্যে অনেক পাম্পে তেল পৌঁছে গেছে এবং পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে।’

কয়েক দিন ধরে সারা দেশে যানবাহনের চালকরা প্রয়োজনীয় জ্বালানি পেতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার জ্বালানি তেলের ওপর রেশনিং ব্যবস্থা চালু করলেও অনেক ক্ষেত্রে গ্রাহকদের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছিল না। সামনে ঈদুল ফিতর এবং ঘরমুখো মানুষের যাতায়াতের চাপ বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকার আজ থেকেই পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের ওপর আরোপিত রেশনিং ব্যবস্থা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানিকৃত তেলের কয়েকটি ট্যাঙ্কার পৌঁছানোর পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানান, আজ থেকে সারা দেশে জ্বালানি তেল বিক্রিতে চালু থাকা রেশনিং পদ্ধতি পুরোপুরি তুলে নেওয়া হচ্ছে। ফলে এখন থেকে সব ধরনের যানবাহনের চালকরা কোনো নির্দিষ্ট সীমা বা বাধ্যবাধকতা ছাড়াই প্রয়োজন অনুযায়ী তেল সংগ্রহ করতে পারবেন। রবিবার সকাল থেকেই দেশের সব পাম্পে এই নতুন নির্দেশনা কার্যকর হয়েছে।

উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনার জেরে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানিবাহী জাহাজ চলাচল নিয়ে বিশ্বজুড়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এর প্রভাবে দেশে জ্বালানি তেলের সংকট হতে পারে—এমন আতঙ্কে গত ৬ মার্চ থেকে সারা দেশে যানবাহনের তেল বিক্রিতে রেশনিং চালু করেছিল সরকার। বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা স্থিতিশীল থাকায় সরকার এই রেশনিং পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

রেশনিং চালুর প্রাথমিক পর্যায়ে মোটরসাইকেলের জন্য দৈনিক সর্বোচ্চ ২ লিটার এবং বড় যানবাহনের জন্য নির্দিষ্ট সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। এসইউভি ও মাইক্রোবাসের জন্য ২০ থেকে ২৫ লিটার এবং দূরপাল্লার ভারী যানবাহনের জন্য ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল বিক্রির বাধ্যবাধকতা ছিল। এই সিদ্ধান্তের ফলে পরিবহন খাতে এক ধরনের স্থবিরতা ও ভোগান্তি তৈরি হয়। পরবর্তীতে রাইডশেয়ারিং চালকদের সুবিধার কথা ভেবে মোটরসাইকেলের সীমা বাড়িয়ে ৫ লিটার করা হয়েছিল এবং সামগ্রিক রেশনিং হার ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়।


Sangbad Sarabela

সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী আবু জাফর

যোগাযোগ: । [email protected] । বিজ্ঞাপন ও বার্তা সম্পাদক: 01894944220

ঠিকানা: বার্তা ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ : বাড়ি নম্বর-২৩৪, খাইরুন্নেসা ম্যানশন, কাঁটাবন, নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা-১২০৫।

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 Sangbad Sarabela All Rights Reserved.