সুন্দরবনের মৌয়ালদের অদম্য জীবনসংগ্রাম এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে তাদের উপার্জিত অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বাস্তব চিত্র নিয়ে বিশেষ এক প্রামাণ্যচিত্র প্রকাশিত হয়েছে। বাঘ, কুমির ও বিষধর সাপের ভয় উপেক্ষা করে মধু সংগ্রহকারী মৌয়ালদের কঠিন জীবন এবং ডিজিটাল লেনদেনের মাধ্যমে তাদের পরিবারের স্বস্তির গল্পই এই প্রামাণ্যচিত্রের মূল উপজীব্য।
সুন্দরবনের গহিন অরণ্যে জীবন বাজি রেখে কাজ করা মানুষের লড়াকু জীবনকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে ‘সাহসেই বিকাশ’ শীর্ষক এই প্রামাণ্যচিত্রটি নির্মাণ করা হয়েছে। গত ১৪ ডিসেম্বর সুন্দরবন দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত ৩ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডের এই ভিডিওচিত্রে দেখানো হয়েছে, কীভাবে মৌয়ালরা কয়েক সপ্তাহ পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন থেকে মধু সংগ্রহ করেন এবং সেই অর্থ কোনো ঝামেলা ছাড়াই ডিজিটাল ওয়ালেটে সংরক্ষণ করেন। দুর্গম বনে কাজ করলেও মৌয়ালরা এখন আর নগদ টাকা বহনের ঝুঁকি না নিয়ে বরং উপার্জিত আয় নিরাপদে বিকাশ অ্যাকাউন্টে লেনদেন করছেন।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বার্তা অনুযায়ী, প্রামাণ্যচিত্রে ফুটে উঠেছে যে দূরে থেকেও পরিবারের প্রয়োজনে পাশে থাকতে পারা মৌয়ালদের কাছে ‘এটাই তাদের কাছে কঠিন জীবনের একটা বড় স্বস্তি-নির্ভরতা।’ উল্লেখ্য যে, গত প্রায় ১৫ বছর ধরে দেশের শহর-বন্দর থেকে শুরু করে সমতল, পাহাড় ও উপকূলীয় দুর্গম জনপদের মানুষের প্রতিদিনকার আর্থিক লেনদেনের অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী হিসেবে কাজ করছে বিকাশ। বর্তমানে এই বিশেষ প্রামাণ্যচিত্রটি ‘আমার বিকাশ’ ফেসবুক পেজ, ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে যা ডিজিটাল আর্থিক সেবার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সক্ষমতা ও নিরাপত্তার নতুন এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।