× প্রচ্ছদ বাংলাদেশ বিশ্ব রাজনীতি খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফ স্টাইল ভিডিও সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

মমতার দলের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করল ভারতের ইসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১০ এএম

ছবি: সংগৃহীত।

তৃণমূল কংগ্রেসের দীর্ঘদিনের নির্বাচনি প্রতীক জোড়াফুল নিয়ে আপাতত কোনো পক্ষকেই স্বীকৃতি দিল না ভারতের নির্বাচন কমিশন। ফলে আগামী ৬ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা উপ-নির্বাচনে মমতা ব্যানার্জির শিবির এবং ঋতব্রত ব্যানার্জি শিবিরকে জোড়াফুল প্রতীক ছাড়াই নির্বাচনি লড়াইয়ে নামতে হবে। সেই সঙ্গে আপাতত কোনো পক্ষই সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নাম ব্যবহার করতে পারবে না।

১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার পর থেকেই জোড়াফুল প্রতীকটি দলটির রাজনৈতিক পরিচয়ের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। দলটির পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে বলা হয়েছে, মমতা ব্যানার্জি নিজেই এই প্রতীকের নকশা করেছিলেন। তবে সম্প্রতি এই প্রতীকের নকশা নিয়ে ভিন্ন দাবিও সামনে এসেছে। ফলে প্রতীকটি নিয়ে বিতর্ক এখন শুধু নির্বাচনি চিহ্নের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, দলের ঐতিহ্য ও রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের প্রশ্নও এর সঙ্গে জড়িয়ে গেছে।

বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে। মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বাধীন শিবির এবং ঋতব্রত ব্যানার্জির নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী- দুটিই নিজেদের প্রকৃত তৃণমূল হিসাবে দাবি করে। দলীয় নাম, প্রতীক, সংগঠনের নিয়ন্ত্রণ এবং সম্পদের মালিকানা নিয়েও দুপক্ষ নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়। কমিশন দুপক্ষের বক্তব্য শোনার পাশাপাশি বিভিন্ন নথি চেয়েছে।

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের সময়সীমা সামনে থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল। দুই শিবিরই নিজেদের প্রার্থী দিয়েছে। নন্দীগ্রামে মমতা শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে এবং ঋতব্রত শিবিরের প্রার্থী মহম্মদ এহতেশামুল হক। রেজিনগরে মমতা শিবিরের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী এবং ঋতব্রত শিবিরের প্রার্থী শেখ সফিউজ্জামান। এখন প্রশ্ন, প্রতীক না থাকলে দুই শিবির কোন নামে এবং কোন নির্বাচনি চিহ্নে ভোটের মাঠে নামে।

কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, দুপক্ষকেই সংরক্ষিত প্রতীকের তালিকা থেকে আলাদা প্রতীক বেছে নিতে হবে। নামের ক্ষেত্রেও পৃথক পরিচয় ব্যবহার করতে হবে। তবে এ ব্যবস্থা স্থায়ী নয়। দলীয় নাম ও প্রতীকের মালিকানা নিয়ে কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর পরিস্থিতি বদলাতে পারে। ফলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচন এখন শুধু দুটি বিধানসভা আসনের লড়াই নয়। তৃণমূলের দুই শিবিরের সাংগঠনিক শক্তি, জনসমর্থন এবং রাজনৈতিক পরিচয়েরও পরীক্ষা হতে চলেছে।

Sangbad Sarabela

সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী আবু জাফর

যোগাযোগ: । [email protected] । বিজ্ঞাপন ও বার্তা সম্পাদক: 01894944220

ঠিকানা: বার্তা ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ : বাড়ি নম্বর-২৩৪, খাইরুন্নেসা ম্যানশন, কাঁটাবন, নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা-১২০৫।

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 Sangbad Sarabela All Rights Reserved.