ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যৌথ হামলার প্রথম দিনে (২৮ ফেব্রুয়ারি) নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তার মৃত্যুর পর ৮ মার্চ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির পুত্র মোজতবা খামেনিকে। দায়িত্ব নেওয়ার পর ইরানের এই সর্বোচ্চ নেতা এখনো জনসমক্ষে উপস্থিত হননি।
এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছিল, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানান, তার বিশ্বাস খামেনি আহত এবং সম্ভবত গুরুতরভাবে জখম হয়েছেন।
তবে সেসব বিষয় উড়িয়ে দিয়ে সুখবর দিলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। মোজতবা খামেনির বিষয়ে তিনি বলেছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সুস্থ আছেন এবং পরিস্থিতি পুরো নিয়ন্ত্রণ করছেন।
ইরানি গণমাধ্যম অ্যালারাবি আলজাদিদকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) মোজতবা খামেনি প্রথম লিখিত বিবৃতি দেন। টেলিভিশনে একজন উপস্থাপক ওই বিবৃতি পড়ে শোনান। বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ইরান ন্যায্যভাবে যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটাতে পারে এমন যে কোনো আঞ্চলিক উদ্যোগকে স্বাগত জানান। হরমুজ প্রণালী যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের জাহাজ বাদে সবার জন্য উন্মুক্ত।
আরাঘচি বলেছেন, যুদ্ধ শেষ করার জন্য এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো উদ্যোগ আলোচনার টেবিলে নেই।