× প্রচ্ছদ বাংলাদেশ বিশ্ব রাজনীতি খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফ স্টাইল ভিডিও সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

এনএসইউতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের চ্যালেঞ্জ ও সংস্কার নিয়ে আলোচনা

২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:৩৯ পিএম

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (এনএসইউ) সেন্টার ফর পিস স্টাডিজ (সিপিএস) আয়োজিত ‘দ্য ইউএন সিকিউরিটি কাউন্সিল: চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড দ্য ওয়ে ফরোয়ার্ড’ শীর্ষক বক্তৃতা ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের (ইউএনএসসি) চ্যালেঞ্জ, কার্যকারিতা ও সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য দেন জাপানের ওসাকা ইউনিভার্সিটির ওসাকা স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড পাবলিক পলিসির (ওএসআইপিপি) অধ্যাপক ড. ভার্জিল হকিন্স।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিপিএসের পরিচালক অধ্যাপক এম জসিম উদ্দিন। এতে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. ইশতিয়াক আহমেদ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. রিজওয়ান খায়ের অংশ নেন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান ড. জিয়াউল হক আদনান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে অধ্যাপক এম জসিম উদ্দিন জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হলেও সংঘাত ব্যবস্থাপনা ও সমাধানে এর ভূমিকা এবং সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিশ্বশান্তির দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থে বৃহৎ শক্তিধর দেশগুলোর ভেটো ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন।

মূল বক্তব্যে ড. ভার্জিল হকিন্স জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো এবং বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তায় এর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ সদস্য (পি৫) ও নির্বাচিত সদস্যরা বৈশ্বিক নিরাপত্তা সংকটে কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন, তা তুলে ধরেন তিনি।

জাতিসংঘে তাঁর গবেষণার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে ড. হকিন্স বলেন, সদস্যরাষ্ট্রগুলোর সমর্থন যখন সবচেয়ে কম থাকে, তখন নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ সদস্য বেশি ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করেছে—এমন একটি প্রবণতা তাঁর গবেষণায় দেখা গেছে। তাঁর মতে, নিরাপত্তা পরিষদের সংকট মোকাবিলার ক্ষেত্রে অনেক সময় শক্তিশালী দেশগুলোর অগ্রাধিকার প্রাধান্য পায়।

এ প্রসঙ্গে তিনি দুটি উদাহরণ তুলে ধরেন। স্পেনে সন্ত্রাসী হামলার ছয় দিনের মধ্যে জাতিসংঘ একটি প্রস্তাব প্রণয়ন করলেও সিয়েরা লিওনের দীর্ঘদিনের সংঘাতের বিষয়ে সাড়া দিতে ছয় বছর সময় লেগেছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ড. হকিন্স বলেন, জাতিসংঘের সংস্কারের উদ্যোগে ছোট রাষ্ট্রগুলোর মতামতকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন। কারণ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছোট রাষ্ট্রগুলোর হাতে।

আলোচনা শেষে সিপিএসের পরিচালক মূল বক্তাকে ধন্যবাদ জানান। তিনি নিরাপত্তা পরিষদের রাজনীতিকরণ থেকে বেরিয়ে আসার উপায় খুঁজে বের করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যাতে নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের সিদ্ধান্তের কারণে কোনো দেশ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। পরে ড. জিয়াউল হক আদনানের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।


Sangbad Sarabela

সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী আবু জাফর

যোগাযোগ: । [email protected] । বিজ্ঞাপন ও বার্তা সম্পাদক: 01894944220

ঠিকানা: বার্তা ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ : বাড়ি নম্বর-২৩৪, খাইরুন্নেসা ম্যানশন, কাঁটাবন, নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা-১২০৫।

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 Sangbad Sarabela All Rights Reserved.