গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের উদ্যোগের অংশ হিসেবে Armed Forces Division (AFD) কর্তৃক গৃহীত “Training of Forces Under People’s Warfare Doctrine” শীর্ষক Pilot Project-এর আওতায় আনসার ব্যাটালিয়নের দুটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ২৮ দিনব্যাপী “উপজেলা/থানা আনসার অ্যাডভান্স প্রশিক্ষণ-২০২৬” গত ৪ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে।
Pilot Project-এর ১ম পর্বে সফিপুর আনসার ব্যাটালিয়ন (২৭ বিএন), গাজীপুর এবং পটুয়াখালী আনসার ব্যাটালিয়ন (৩১ বিএন)-এ এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। উপজেলা/থানা আনসার মৌলিক প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী মোট ২০০ জন সদস্য এ পর্বের প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করছেন। অতি দ্রুত আরও ৮টি আনসার ব্যাটালিয়নে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করা হবে।
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ মহোদয়ের উদ্যোগে উপজেলা/থানা আনসার কোম্পানির স্বেচ্ছাসেবী সদস্যদের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে যুগোপযোগী এ প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। দেশের প্রয়োজনে প্রশিক্ষিত, দক্ষ ও সংকট মোকাবিলায় সক্ষম জনশক্তি গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
ব্যাটালিয়ন অধিনায়কের তত্ত্বাবধানে এবং AFD-এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকগণ এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে যুক্ত হয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করছেন। প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে সদস্যদের ফায়ারিংয়ের মৌলিক বিষয়, নিশানা গ্রহণের সাধারণ নীতি ও ফায়ারিং নিরাপত্তা সম্পর্কে বাস্তবমুখী শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি পদাতিক বাহিনীর সাধারণ পরিচিতি, পদাতিক কোম্পানির সাংগঠনিক কাঠামো এবং রণক্ষেত্রে আত্মরক্ষার কৌশল হিসেবে ছদ্মবেশ, গোপনীয়তা ও আড় ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কেও তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।
মূলত People’s Warfare Doctrine-এর আলোকে উপজেলা/থানা আনসার সদস্যদের প্রয়োজনীয় সামরিক জ্ঞান, দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের যেকোনো সংকটময় পরিস্থিতিতে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্তুত করে তোলাই এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য।