শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার মৌগাতি ইউনিয়নের নগুয়া গ্রামের মাঠ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের সাবেক স্বামী নুরুল আমীনকে (৪০) আটক করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। নিহত নাজু আক্তার অভিযুক্ত নুরুল আমীনের দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন।
পুলিশ জানায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর নাজু আক্তার নিখোঁজ হন। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর সন্ধান না পেয়ে গত ২২ সেপ্টেম্বর নিহতের ভাই শুভ নেত্রকোনা মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির সূত্র ধরে তদন্তে নেমে পুলিশ শুক্রবার সাবেক স্বামী নুরুল আমীনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের মুখে নুরুল আমীন স্বীকার করেন, তিনি নাজু আক্তারকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই বাড়ির পাশের মাঠের (ধানক্ষেত) মাটির নিচ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্ত ও আসামির স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের জানান, হত্যাকাণ্ডের কয়েক দিন আগে নাজু আক্তার ও নুরুল আমীনের মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়। ওই বিচ্ছেদের ক্ষোভ ও আক্রোশ থেকেই নাজু আক্তারকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন আটক নুরুল আমীন।
ওসি আরও জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আটক নুরুল আমীন বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।