বাংলা সাহিত্যের প্রাণপুরুষ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা কালচারাল অফিসার সুদীপ্তা চক্রবর্তী। অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক ছিলেন ফেনী সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম।
আলোচনায় মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম রবীন্দ্রনাথের জীবনী ও কর্মের উপর চমৎকার বিশ্লেষণ ধর্মী বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বলেন, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমাদের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিশ্বের দরবারে পরিচয় করিয়ে দেন। ১৯১৩ সালে কবি নোবেল পুরস্কার বিজয়ের মধ্য দিয়ে বাঙ্গালী জাতিকে বিশ্ব দরবারে এক অনন্য উচ্চতায় অধিষ্ঠিত করেছেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সৃষ্টির ব্যাপ্তি অসামান্য। তিনি পদ্য ও গদ্যে ছিলেন সমান পারদর্শি। তার সৃষ্টির আমেজ কালউত্তীর্ণ হয়ে মহাকালের অনন্ত যাত্রাও আলো ছড়িয়ে যাবে। এর মধ্যে রবী ঠাকুরের ছোটগল্প বাঙ্গালী পাঠকদের হৃদয়ে দারুণ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। স্থান, কাল, পাত্র, চরিত্র নির্মাণ ও অসাধারণ গল্পের বুনন বাংলা ছোট গল্পে মাইল ফলক হয়ে থাকবে।
এসময় আরও বক্তব্য রাখেন ফেনী জেলা জাসাসের সভাপতি কাজী ইকবাল আহাম্মদ পরাণ, সাধারণ সম্পাদক মো: সাব্বির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: দিলদার হোসেন প্রমুখ।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক স্টার লাইনের সহযোগী সম্পাদক জসীম মাহমুদ, ফেনী সাহিত্য সভার সাধারন সম্পাদক কবি শামীম পাটোয়ারী, সংগীত শিক্ষক অরূপ দত্ত, জাগরণী সাংস্কৃতিক একাডেমির সাধারন সম্পাদক বাবলু নাথ, সুর নিকেতনের সাধারন সম্পাদক দোলন বনিক প্রমুখ।
আলোচনা শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীদের সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি এবং গীটার বিভাগের শিশু শিল্পীদের পরিবেশনার মধ্য দিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন জেলা শিল্পকলা একাডেমির আবৃত্তি বিভাগের প্রশিক্ষক মোহাম্মদ ফজলুর রহমান মিলন।