'দুধ আদর্শ খাদ্য হলেও এর পুষ্টিগুন অনেক মানুষের অজানা। বর্তমনে পরিকল্পিতভাবে ডেইরী খামার তৈরির ফলে দেশে দুগ্ধখাতের দ্রুত বিকাশ ঘটছে। আধুুুনিক খামার ব্যবস্থপনা, উন্নতা জাতের গবাদি পশু পালন, প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে দুধ উৎপাদন বেড়েছে কয়েকগুন।
বিশ্ব দুগ্ধ দিবস উপলক্ষে সোমবার (০১ জুন) দুপুরে রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। এ বছর ‘দুগ্ধ উৎপাদনে নারী খামারী, উন্নয়নের অগ্রযাত্রা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিবসটি পালিত হচ্ছে।
দিবসের আলোচনা সভায় জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মুহ. নাজমুল হুদার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন।
এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ডেপুটি চিফ এপিডেমিওলজিস্ট রফিকুল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মাহফুজা আক্তার মুন্নী, রংপুর সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. বেলাল হোসেন, ডেইরি অ্যাসোসিয়েশন রংপুর বিভাগের সভাপতি লতিফুর রহমান মিলন ও সাধারণ সম্পাদক এসএম আসিফুল ইসলাম।
সভায় বক্তারা বলেন, গরু-ছাগলের খামার ও দুগ্ধ উৎপাদন বাড়ায় গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্রতা হ্রাস ও নারীদের ক্ষমতায় নিশ্চিত হয়েছে।
আলোচনা সভায় খামারিরা পশুখাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি, রোগব্যাধি নিয়ন্ত্রণে সরকারি সহযোগিতা, দুধ সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ নিয়ে নানা চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। এসব সমস্যা সমাধানে সরকার, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, গবেষক ও খামারীদের সমন্বিত্ব উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
এর আগে দিবসটি উপলক্ষে একটি জনসচেতনতামূলক র্যালি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে খামারি, দুগ্ধ ব্যবসায়ী, বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মী, প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা ও প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।