× প্রচ্ছদ বাংলাদেশ বিশ্ব রাজনীতি খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফ স্টাইল ভিডিও সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

লক্ষ্মীপুরে সালিশি রায় অমান্য, প্রবাসীর অর্থের প্রভাবে দাপট—প্রতিপক্ষকে হয়রানির অভিযোগে উত্তেজনা

মাহমুদুর রহমান মনজু, লক্ষ্মীপুর

২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৭:২২ পিএম

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চররুহিতা ইউনিয়নে জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে স্থানীয়ভাবে সালিশি সিদ্ধান্ত ও লিখিত দলিল সম্পন্ন হওয়ার পরও তা অমান্য করে এক প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত মিতু আক্তার তার প্রবাসী স্বামী মুরাদ হোসেনের প্রশ্রয় ও অর্থের প্রভাবে স্থানীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে প্রতিপক্ষকে নানাভাবে হেনস্তা করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগী শাহ আলম ও তার পরিবার জানান, দীর্ঘদিনের জমি বিরোধ নিরসনে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অ্যাডভোকেট জাফর আহমদসহ একাধিক সালিশদার দফায় দফায় বৈঠক করেন। ‘সালিশ নামা’ অনুযায়ী জমির পরিমাপ নির্ধারণ এবং চলাচলের জন্য ৯ ফুট রাস্তা রাখার বিষয়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়ে স্বাক্ষর করেন। দলিলে আরও উল্লেখ রয়েছে, উভয় পক্ষ নিজেদের দায়ের করা মামলা নিজ নিজ খরচে প্রত্যাহার করবে।

তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রবাসে অবস্থানরত মুরাদ হোসেনের অর্থনৈতিক প্রভাবের কারণে তার স্ত্রী মিতু আক্তার এখন সালিশি সিদ্ধান্ত মানতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন। সর্বশেষ শাহ আলম তার নিজ জমিতে একটি ওয়াশরুম নির্মাণ শুরু করলে মিতু আক্তার জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এ ফোন করে পুলিশ ডেকে এনে কাজ বন্ধ করে দেন। ভুক্তভোগীদের দাবি, মিথ্যা তথ্য দিয়ে পুলিশকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে এবং নির্মাণ সামগ্রী নষ্ট হওয়ায় তারা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।

সালিশ নামার তথ্যমতে, প্রথম পক্ষ (মুরাদ হোসেন গং) এবং দ্বিতীয় পক্ষ (শাহ আলম) আপন চাচা-ভাতিজা। সালিশে প্রথম পক্ষের ৩ শতাংশ জমির মালিকানা নিশ্চিত করা হলেও তারা অতিরিক্ত জমির দাবি তুলে রাস্তা প্রশস্তকরণে বাধা দিচ্ছেন এবং এলাকায় অস্থিরতা সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, মিতু আক্তারের একগুঁয়ে আচরণ ও আইনি জটিলতা তৈরির প্রবণতায় সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছেন এবং সামাজিক শান্তি বিঘ্নিত হচ্ছে।

ভুক্তভোগী শাহ আলম বলেন, “আমরা সালিশি সিদ্ধান্ত মেনে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে চাই। কিন্তু প্রবাস থেকে প্রভাব খাটিয়ে আমাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। আমরা প্রশাসনের কাছে এই হয়রানি থেকে মুক্তি ও দ্রুত সমাধান চাই।”

অন্যদিকে, মিতু আক্তার ও তার স্বজনদের দাবি, তারা জমির ন্যায্য পাওনা দাবি করছেন বলেই বাধা দেওয়া হচ্ছে।

বর্তমানে ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত কার্যকর প্রশাসনিক ও আইনি পদক্ষেপ না নিলে বিরোধটি আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে।

Sangbad Sarabela

সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী আবু জাফর

যোগাযোগ: । [email protected] । বিজ্ঞাপন ও বার্তা সম্পাদক: 01894944220

ঠিকানা: বার্তা ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ : বাড়ি নম্বর-২৩৪, খাইরুন্নেসা ম্যানশন, কাঁটাবন, নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা-১২০৫।

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 Sangbad Sarabela All Rights Reserved.