মুন্সীগঞ্জ জেলা রেজিস্টার রমজান খান জেলা রেজিস্টার কার্যালয় সেবার অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। সাধারণ সেবা প্রার্থী মুন্সিগঞ্জের জেলা রেজিস্টার কার্যালয়ে পাচ্ছেন কাঙ্খিত সেবা। দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অনন্য নজির স্থাপন করে তিনি এলাকাবাসীর মুখে হাসি ফুটাচ্ছেন। যেমনটি বলছিলেন জনৈক সেবা গ্রহিতা। তিনি জানান, আমরা এই অফিসে এসে দিনের পর দিন ঘুরেছি টাকা খরচ করেছি কিন্তু সেবা পাইনি।
বর্তমান জেলা-রেজিস্ট্রার সাহেব আমাদের সেই দুর্দশা লাঘব করেছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জীবনের শুরুতেই তিনি তিনি মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন। সেই ছাত্রাবস্থায় যার প্রতিফলন ঘটে। শিক্ষা শেষে কর্ম জীবনে এসে তার বাস্তবায়নে মনোনিবেশ করেন। রমজান খান যার জন্ম মুন্সীগঞ্জে এখানেই তার শিক্ষাজীবন শুরু। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পূর্ণ করার পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞান ও প্রশাসন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা লাভ করেন।
শিক্ষাজীবন থেকে প্রতিটি ধাপে তিনি সত্য নিষ্ঠা, অধ্যবসায় ও সততার সাথে শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। শিক্ষা শুধু বইয়ের মধ্যে নয়, মানুষের সেবা এবং দায়িত্ব পালনে প্রকাশ পায়, বলেছেন রমজান খাঁন। শিক্ষা শেষ হওয়ার পর তিনি সরকারি চাকুরিতে যোগদান করেন। তার প্রথম কর্মস্থল ছিল প্রশাসনিক দপ্তরে। যেখানে তিনি নাগরিক সমস্যা সমাধান ও দলীয় সমন্বয় নিশ্চিত করার পাঠ নিয়েছেন। কেবল চাকরি ক্ষেত্রে নয় তিনি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয়। মুন্সীগঞ্জের বিভিন্ন শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নারী-শিশু উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিয়েছেন। স্থানীয় স্কুলে বই বিতরণ ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম।
কমিউনিটি স্বাস্থ্য ক্যাম্পে বিনামূল্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সচেতনতামূলক সেমিনার। নারী ও শিশু সংরক্ষণ ও সহায়তা কার্যক্রমে নিয়মিত অংশগ্রহণ করেন। কর্মস্থলে সাফল্য ও উদ্ভাবনী পদক্ষেপ যদিও দেশে জেলা অফিসগুলোতে নানান চ্যালেঞ্জ-দুর্নীতি, জটিলতা, সেবা বিলুপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো নিজের কারিশমা তা জনগণের আস্থার প্রতিক করে তোলেন। তারই ধারাবাহিকতায় মুন্সিগঞ্জ জেলা রেজিস্ট্রার অফিস মডেল অফিসে পরিণত হয়েছে।
দস্তাবেজ ও রেকর্ড ম্যানেজমেন্ট স্বচ্ছতা : নাগরিকরা দ্রুত নথিপত্র পান বলে জানা যায়। প্রতিটি ক্ষেত্রে সেবা পৌঁছে দেওয়া হয়, অফিসে আসা প্রতিটি নাগরিককে সম্মানের সাথে সেবা দিয়ে থাকেন। কর্মচারীদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন। যেকোনো অভিযোগ দ্রুত সমাধান করা হয় বলে জানান। অফিসে আসা মানুষ স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করে। রমজান খাঁন-এর নেতৃত্বে অফিস কার্যক্রম দ্রুত এবং সবসময় সেবা মনোভাব,সম্পন্ন। মুন্সীগঞ্জের দেখা দেখি দেশের অনেক জেলা অফিসে নাগরিক সেবা মডেল হিসেবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
অফিসের প্রতিটি ইউনিটে নির্দিষ্ট দায়িত্ব, স্বচ্ছ নথি, এবং দ্রুত সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে রমজান খানের নেতৃত্বে। গত বছর অফিসে নাগরিক অভিযোগ দীর্ঘমেয়াদী হয়রানি। জরুরি মামলা ও নথিপত্র দ্রুত সমাধান করা হয়েছে। বিশেষ উদ্যোগ ও উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ড রমজান খাঁন প্রযুক্তি ব্যবহার ও আধুনিক প্রশাসনকে গুরুত্ব দেন। অনলাইন আবেদন ব্যবস্থা চালু, যাতে জনগণ সহজে নথি জমা দিতে পারে। ডিজিটাল রেকর্ড ম্যানেজমেন্ট ও ট্র্যাকিং সিস্টেম। নাগরিক সেবা সপ্তাহ আয়োজন করে জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে থাকেন।
প্রতিটি উদ্যোগের লক্ষ্য- নাগরিকদের সেবা দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে পৌছে দেওয়া, বলছেন রমজান খাঁন। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা, রমজান খাঁন মনে করেন প্রশাসন শুধু অফিসের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, সমাজের সেবা দিয়ে মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
আগামীতে মুন্সীগঞ্জে নতুন কমিউনিটি হেলথ ও শিক্ষা ক্যাম্প আয়োজনের পরিকল্পনা। স্থানীয় যুবক ও শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। পরিবেশ সচেতনতা ও গাছরোপন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ চলমান থাকবে। মোহাম্মদ রমজান খাঁন শুধু একজন দক্ষ ব্যক্তি নন, তিনি নাগরিক সেবা, সততা এবং সামাজিক দায়িত্বের উদাহরণ। মুন্সিগঞ্জ জেলা রেজিষ্টার অফিস দেশের অন্যান্য জেলা অফিসের জন্য মডেল। জনগণ তার নেতৃত্বে নিরাপদ ও কার্যকর সেবা পাচ্ছে।
মুন্সিগঞ্জ জেলা রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ রমজান খাঁনের মত সরকারি সেবার মান সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ুক এটিই তার প্রত্যাশা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী আবু জাফর
যোগাযোগ: । [email protected] । বিজ্ঞাপন ও বার্তা সম্পাদক: 01894944220
ঠিকানা: বার্তা ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ : বাড়ি নম্বর-২৩৪, খাইরুন্নেসা ম্যানশন, কাঁটাবন, নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা-১২০৫।
© 2026 Sangbad Sarabela All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh
