নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় কৃষিজমি বিনষ্ট করে অবৈধভাবে পুকুর খননের দায়ে এক ব্যক্তিকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার ( ১৫ই এপ্রিল) উপজেলার একলাশপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই দণ্ড প্রদান করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন বেগমগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একলাশপুর এলাকায় আইনের তোয়াক্কা না করে একদল অসাধু ব্যক্তি বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে স্কেভেটর (ভেকু) দিয়ে তিন ফসলি ধানক্ষেত কেটে বড় পুকুর খনন করছিল। এতে আশপাশের কৃষিজমিও হুমকির মুখে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। এসময় ঘটনার সত্যতা মেলায় 'বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন-২০১০' অনুযায়ী অভিযুক্তকে এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
অভিযানকালে বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন বলেন,"ফসলি জমি আমাদের দেশের প্রাণ। বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বা নিয়মবহির্ভূতভাবে কৃষিজমি নষ্ট করে পুকুর খনন করা দণ্ডনীয় অপরাধ। জনস্বার্থে কৃষিজমি রক্ষায় আমাদের এ ধরণের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।"
অভিযানে বেগমগঞ্জ মডেল থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) নিজাম উদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস টিম ভ্রাম্যমাণ আদালতকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা প্রদান করেন।
এদিকে প্রশাসনের এমন তড়িৎ পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। তারা জানান, এভাবে ফসলি জমি নষ্ট করা বন্ধ না হলে ভবিষ্যতে খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা ছিল। প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থানে এলাকায় মাটি খেকো চক্রের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।