নীলফামারীর ডিমলায় নবম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ অভিযোগের ৪৮ ঘন্টা না পেরুতেই ৬ বছরের আর এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।এ মামলার একমাত্র আসামি ১৪ বছর ৫ মাস ৫ দিন বয়সি এক শিশুকে গ্রেপ্তার করে শিশু আদালতে পাঠিয়েছে ডিমলা থানা পুলিশ।মঙ্গলবার(৭ এপ্রিল)দিবাগত রাতে উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ খড়িবাড়ি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে ওইদিন ধর্ষণের শিকার শিশুটির বাবা বাদি হয়ে গ্রেপ্তারকৃত শিশুটির বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করে ডিমলা থানায় মামলা নম্বর-৬,তারিখ-৮-৪-২০২৬ইং দায়ের করেন।
মামলা সুত্রে জানা যায়,উপজেলার দক্ষিণ খড়িবাড়ি(দোহল পাড়া)গ্রামে উভয় শিশুর বাড়ি হওয়ার কারণে প্রতিবেশি হিসেবে একে অপরের বাড়িতে খেলতে আসা-যাওয়া করতো।গত মঙ্গলবার বিকেলে শিশু কন্যাটি ছেলে শিশুটির বাড়িতে গেলে বাড়িতে অন্য কেউ না থাকায় জোরপূর্বক ছেলে শিশুটি কন্যা শিশুটিকে ধর্ষণ করেন।শিশুটির চিৎকারে প্রতিবেশিরা কন্যা শিশুটিকে উদ্ধার করে পরিবারকে জানালে পরিবারের লোকেরা শিশুটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় ডিমলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।পরে সেখানকার চিকিৎসক শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।
এর আগে গত রবিবার(৫ এপ্রিল) উপজেলার খালিশা চাপানী ইউনিয়নের তালতলা সরকারপাড়া গ্রামে ভুট্টা ক্ষেতে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে তার নানী বাদি হয়ে ডিমলা থানায় ঘটনার পরেরদিন একটি মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)শওকত আলী সরকার বলেন,শিশু ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত ১৪ বছর ৫ মাস ৫ দিন বয়সি শিশুকে শিশু আদালতে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন।