হামে আক্রান্ত হয়ে চার শিশু ভর্তি হয়েছে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে। রোগীদের জন্য মেডিকেল বোর্ড গঠন করে আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। হাসপাতালে কর্তৃপক্ষ হাম নিয়ে আতংঙ্কিত না হয়ে আক্রান্তদের হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত সপ্তাহ থেকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামে আক্রান্ত শিশু আসতে শুরু করে। রোববার পর্যন্ত হাসপাতালে হামে আক্রান্ত ৪ শিশু ভর্তি হয়েছে।
এর মধ্যে গত ২৩ মার্চ লালমনিরহাট সদর উপজেলার আব্দুস সালামের মেয়ে আমাতুল্লাহ জান্নাত (৮ মাস), ২৫ মার্চ দিনাজপুর পাবর্তীপুরের রণজিৎ রায়ের মেয়ে প্রজ্ঞা রায় (৭ মাস), ২৯ মার্চ গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জের মো. আলামিনের ছেলে আরাফাত (২ বছর) ও ২৯ মার্চ রংপুর নগরীর তাজহাট এলাকার সোহাগ আহম্মেদের ছেলে সাইয়েম আহম্মেদ (৯ মাস) হাসপাতালে ভর্তি হোন।
আক্রান্তদের শিশু বিভাগ থেকে স্থানান্তর করে আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। আইসোলেশন ওয়ার্ডে শিশুদের জন্য অক্সিজেন সরবরাহসহ চিকিৎসার সার্বিক ব্যবস্থা করেছে কর্তৃপক্ষ।
রংপুর নগরীর সোহাগ আহম্মেদ বলেন, রোববার সকাল থেকে বাচ্চার শরীরে র্যাশ উঠা শুরু হয়েছে। সকাল ৯টার পর থেকে বেশি পরিমান উঠতে শুরু করে। পরে শিশু চিকিৎসককে দেখালে তিনি হামের কথা বলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। বর্তমানে বাচ্চার চিকিৎসা চলছে।
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান জানান, হাম নিয়ে আতংঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্তমানে ৪ জন শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে। তাদের শিশু বিভাগের পার্শ্বে একটি আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, রোগীরা যেন ভাল চিকিৎসা পায় সে লক্ষ্যে হাসপাতালের শিশু বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ আনম তানবীর আহমেদকে আহ্বায়ক করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। রোগীর চাপ বাড়লেও চিকিৎসার জন্য সার্বিক প্রস্তুতি রয়েছে।