মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার দৈনিক সংবাদ সারাবেলার প্রতিনিধি, ক্যাম্পেইন ফর মিডিয়া ফ্রিডম (সিএমএফ)-এর সহ-দপ্তর সম্পাদক ও পরিবেশকর্মী খোর্শেদ আলমের বিরুদ্ধে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান চুনুর দায়েরকৃত মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার ঘটনায় ক্যাম্পেইন ফর মিডিয়া ফ্রিডম (সিএমএফ) গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
এক যৌথ বিবৃতিতে সিএমএফ-এর সভাপতি হোসাইন আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. ফরহাদ হোসেন বলেন,
“রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একজন নিরপেক্ষ সংবাদকর্মীকে মামলায় জড়ানো অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। আমরা অবিলম্বে এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং খোর্শেদ আলমের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানাচ্ছি।”
খোর্শেদ আলম দীর্ঘদিন ধরে দল-মতের ঊর্ধ্বে থেকে সততা, নিষ্ঠা ও নিরপেক্ষতার সাথে সাংবাদিকতা করে আসছেন। বিশেষ করে নির্বাচনকালীন সময়ে তার পরিবেশিত সংবাদ ও তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা ও যথার্থতা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি কৃষি উন্নয়ন ও পরিবেশ বিপর্যয় রোধে স্থানীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ততা না থাকা সত্ত্বেও একটি সংঘর্ষের মামলায় তাকে আসামি করা সম্পূর্ণ প্রতিহিংসামূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ।
একজন সৎ ও প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ সংবাদকর্মীকে এভাবে হয়রানি করা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। বাকস্বাধীনতা রুদ্ধ করার এ ধরনের অপচেষ্টা কেবল একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, বরং রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্যও হুমকিস্বরূপ। অতীতের রাজনৈতিক প্রভাবিত মামলার সংস্কৃতি বর্তমান সময়েও অব্যাহত থাকা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
সিএমএফ নেতৃবৃন্দ মৌলভীবাজার-১ (জুড়ী-বড়লেখা) আসনের সংসদ সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান—অবিলম্বে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করে এই ভিত্তিহীন মামলা থেকে খোর্শেদ আলমের নাম প্রত্যাহার করতে হবে। রাজনৈতিক ইন্ধনে একজন সংবাদকর্মীকে হয়রানি করা ক্ষমতার অপব্যবহারেরই নামান্তর।
সত্যের কলম ও জনমানুষের কণ্ঠস্বরকে মিথ্যা মামলা দিয়ে দমানো যায় না। আমরা খোর্শেদ আলমের নিঃশর্ত অব্যাহতি এবং তার পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানাচ্ছি।