হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী তুষারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর ও অশ্লীল ভাষা ব্যবহারের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে মামলাটি করেন বাহুবল মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম। একইদিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হবিগঞ্জ শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় নিজ বাসা থেকে তাকে হেফাজতে নেয় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশ্লীল ও আপত্তিকর ভাষায় গালিগালাজ, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপমান ও ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদান এবং থানা এলাকায় শান্তিভঙ্গ ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগে এ মামলা করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাহুবল থানার ওসিকে উদ্দেশ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের একটি অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাল ওই অডিওতে অশালীন ও আপত্তিকর ভাষা ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে অডিওর সত্যতা যাচাই ও সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখা হয়। তদন্তের ধারাবাহিকতায় অভিযুক্ত হিসেবে উপজেলা বিএনপির সভাপতিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) রাখী রানী দাস বলেন, রোববার দুপুরে শহরের শায়েস্তানগর এলাকা থেকে বাহুবল উপজেলা বিএনপির সভাপতিকে হেফাজতে নেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
বাহুবল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, সোমবার আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হবে।