চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার কালা গ্রামের গাঙপাড়ার ভৈরব নদের কচুরিপানা সরিয়ে শিমুল নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
গতকাল শনিবার সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় লোকজন কচুরিপানার ভেতর মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান সেখ এবং পরে সহকারী পুলিশ সুপার (জীবননগর ও দামুড়হুদা সার্কেল) মো. আনোয়ারুল কবীর উপস্থিত হয়ে লাশ উদ্ধার করে।
মৃত শিমুল (৪০) একই উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের ধোপাখালী গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে। মৃত শিমুলের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৭ থেকে ৮ দিন আগে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। এরপর থেকে তার আত্মীয়-স্বজনরা বিভিন্নস্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাচ্ছিলেননা।
স্থানীয়রা বলেন, মৃত শিমুলের সাথে জীবননগর সুবলপুর গ্রামের মো.ছত্তোর হোসেন (৫৫) মেয়ে মোছা. মিম খাতুন আনুমানিক (৩০) সাথে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল।
তারা আরও বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যা। মৃত শিমুল একজন কৃষক, পরকীয়ার সম্পর্কের জেড় ধরে এঘনা ঘটে। গত শনিবার সন্ধ্যায় শিমুল নিখোঁজ হয়।
মৃতর বোন মোছা. আমেনা খাতুন বলেন, আমার ভাইয়ের সাথে জীবননগর সুবলপুর গ্রামের মোছা. মিম খাতুনের সাথে শিমুলের দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মিমি বিভিন্ন ভাবে প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে আমার ভাইয়ের কাছথেছে অনেক অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে শিমুল নিখোঁজ হওয়ার পর মিমের কেছে আছে কী না জানতে চাইলে মিম আমাদের হুমকিধামকি দেয়।
সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) মো. আনোয়ারুল কবীর জানান, স্থানীয় ইউপি সদস্যের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে পুলিশের একটি বিশেষ টিম কাজ শুরু করেছে।
তিনি আরও জানান, সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলেই নিশ্চিত হওয়া যাবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা।