ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট– আয়োজনে মৌলভীবাজার জেলার ৪টি সংসদীয় আসনের ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে যেভাবে কাজ করবে সেনা বাহিনী,পুলিশ,র্যাব, বিজিবি ও আনসার সদস্যদের সমন্বয়ে গিঠিত যৌথ নিরাপত্তা বাহিনী তাঁর একটি নমুনা মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার ( ৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মৌলভীবাজার শহরের উপকন্ঠে এম সাইফুর রহমান স্টেডিয়ামে নিরাপত্তা বাহিনীর এ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।
মহড়ায় একটি ভোটকেন্দ্রে স্বাভাবিক কার্যক্রম চলাকালে দুর্বৃত্তদের অনুপ্রবেশ, ভোটগ্রহণে বাধা প্রদান, ব্যালট বাক্স ছিনতাই এবং বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টির দৃশ্য প্রদর্শন করা হয়। একই সঙ্গে এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রম তুলে ধরা হয়।
এ সময় ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যের বডিওন ক্যামেরার মাধ্যমে কন্ট্রোল রুমে লাইভ বার্তা প্রেরণ, কন্ট্রোল রুমের নির্দেশে মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং টিমের দ্রুত উপস্থিতি এবং সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাবসহ অন্যান্য বাহিনীর যৌথ অভিযানের মাধ্যমে স্বল্পতম সময়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার প্রক্রিয়া প্রদর্শিত হয়। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় লাঠিচার্জ, গ্যাসগান ও সাউন্ড গ্রেনেডের প্রয়োগও মহড়ায় তুলে ধরা হয়।
মহড়ায় জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিলাল হোসেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রুবেল মাহমুদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আহমেদ সাব্বির সাজ্জাদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আসিফ মহিউদ্দিন পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) নোবেল চাকমা পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল খয়ের, মৌলভীবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাজিব হোসেনসহ সেনাবাহিনী, আনসার ব্যাটালিয়ন, বিজিবি ও র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচনে সব বাহিনীর সমন্বিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো নাশকতামূলক পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবেলার বিষয়টি দেখানোর উদ্দেশ্যই এই মহড়ার আয়োজন।
এবিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) নোবেল চাকমা বলেন, মহড়ায় একটা পূণাঙ্গ ভোট কেন্দে কী কী সমস্যা হতে পারে তাঁর একটা নমুনা তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়াও নির্বাচনে নিরাপত্তা বাহিনীর অন্যান্য সদস্যদের পাশাপাশি পুলিশের ১হাজার ৬শত ৫০জন সদস্য ভোটের মাঠে কাজ করবে জানান তিনি।