চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, নতুন বাংলাদেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখতে আমরা সম্মিলিতভাবে সরকারি কর্মকর্তারা মাঠে নেমেছি। এ নির্বাচন ক্ষমতার পালাবদল নয়, চেয়ার পরিবর্তনের নয়, নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা। এটা বাংলাদেশকে পরিবর্তনের ও মেরামতের আয়োজন। কোনোভাবে পরাজিত হওয়ার সুযোগ নেই, জয় আনতে হবে। রাষ্ট্রের ভাবমর্তি দেশ-বিদেশের কাছে সঠিকভাবে তুলে ধরতে হবে। এজন্য সকল প্রকার নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। ইতিপূর্বে দেশের যে ভাবমুর্তি নষ্ট হয়েছে, আমাদের গায়ে যে কাদা লেগেছে তা দূর করে দেশ তৈরি করতে হবে।
আমি, আপনি আমাদের সন্তান নিরাপদে যেন থাকতে পারে, সে জন্য দায়িত্বশীল হিসেবে শতভাগ নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। দায় নির্বাচন কমিশন নিবে না, মনিটরিং চলছে। দায়িত্বশীল, নিষ্ঠাবান হিসেবে কাজ দেখাতে হবে। যে কোনো দুর্ঘটনায় ৩ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে প্রশাসনের লোক হাজির হবে। এটা শুধু দলীয় ভোট নয়, সাথে গণভোটও রয়েছে, এ ব্যাপারে প্রয়োজনে ভোটারদের বুঝাতে হবে। এ জন্য আপনারা প্রস্তুত হয়ে আসবেন। সুষ্টু, অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচনে নিরপেক্ষতা দেখাতে হবে। প্রত্যেক কেন্দ্রে সিসি ক্যামরা থাকবে। পুলিশের বডিতে ক্যামরা থাকবে। দেশের জন্য আইন মেনে কাজ করতে হবে।
দীর্ঘদিন পরে মানুষ ভোট দিয়ে যেন হাঁসি মুখে বাড়ি ফিরতে পারে। জাতিকে উৎসব মুখর পরিবেশে আন্তরিকভাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে হবে। মেধাবী সন্তানেরা যেন দেশের বাইরে চলে না যায়, সে জন্য দেশ বানাইতে চাই। ৪ ফেব্রুয়ারি বিকালে চন্দনাইশ উপজেলা প্রশাসন ও নির্বাচন অফিসের আয়োজনে ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তাদের সাথে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাজিব হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যথাক্রমে-জেলা পুলিশ সুপার নাজির আহমদ খাঁন, লেঃ কর্ণেল মো. মাহামুদুল হাসান, স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক গোলাম মঈন উদ্দীন হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শরিফ উদ্দীন, আসনার ভিডিপি জেলা এডজুডেন্ট ফরিদা ফারভিন সুলতানা। দিনব্যাপি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ৬৭ জন প্রিজাইডিং, ৩৮৯ জন সহকারী প্রিজাইডিং ৭৭৭ জন পুলিং অফিসারসহ ১২৩৩ জন অংশ নেন। ১৪ জন প্রশিক্ষক এ কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।