আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন না লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগারের বন্দিরাও। কারাগারে থাকা ১৮ জন কয়েদি ও হাজতি সরকারি বিধি অনুযায়ী পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, সরাসরি ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার সুযোগ না থাকায় নির্বাচন কমিশনের নীতিমালা অনুসরণ করে কারাগারের ভেতরেই একটি নির্ধারিত কক্ষে নির্দিষ্ট সময়ে এই ভোটগ্রহণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট ১৮ জন বন্দির জন্য ব্যালট পেপার প্রস্তুতসহ সব ধরনের প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পন্ন করা হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগারের জেলার নুর মোহাম্মদ সোহেল জানান, বন্দিরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভোট প্রদান করবেন এবং ভোটগ্রহণ শেষে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যালটগুলো সিলগালা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাঠানো হবে।
এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুরের জেল সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন,
“নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী বন্দিদের পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যালট বিতরণ ও সংগ্রহের সকল প্রস্তুতি আমাদের সম্পন্ন রয়েছে।”
নির্বাচন কমিশনের নীতিমালা অনুযায়ী, যারা কারাগারে বন্দি রয়েছেন অথবা দায়িত্বগত কারণে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হতে অক্ষম, তাদের জন্য পোস্টাল ব্যালটের ব্যবস্থা রয়েছে। লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগারের এই ১৮ জন বন্দি সেই আইনি সুযোগ কাজে লাগিয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছেন—যা ভোটাধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক ও মানবিক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।