× প্রচ্ছদ বাংলাদেশ বিশ্ব রাজনীতি খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফ স্টাইল ভিডিও সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

প্রধান শিক্ষককে সরাতে মিথ্যা অভিযোগ: প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১৪:৩১ পিএম

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান শিক্ষক আবু তাহের ও অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ

মহেশখালী হোয়ানক বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে পদ থেকে সরাতে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আবু তাহেরকে  অবসরে যাওয়ার আগেই পদ থেকে সরাতে সহকারী প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা কর্তৃক তারই ভাতিজা ইউপি সদস্য আশেক ইলাহিকে বশে নিয়ে জন্ম নিবন্ধন সংশোধনে মেম্বারের দস্তখত জালিয়াতির মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে হয়রানির প্রতিবাদে বিদ্যালয় মিলনায়তনে গতকাল ১২ জানুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান শিক্ষক আবু তাহের তার বক্তব্যে বলেন, “আমি ১৯৯১ সালে হোয়ানক বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষক হিসেবে যোগদান করি। ২০১২ সালে আমি অত্র বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিযুক্ত হই। সেই থেকে অদ্যাবধি যথাযথ নিয়ম-নীতি মোতাবেক সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও সুনামের সহিত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসছি। সরকারি বিধি মোতাবেক আমার অবসরে যাওয়ার চাকরির বয়স চলতি ২০২৬ সাল পর্যন্ত রয়েছে। সেক্ষেত্রে আমার জন্ম সনদে ভুল থাকায় আমি তা সংশোধন করে নিই। এদিকে অত্র বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা, যিনি বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতার জামাতা, তিনি আগেভাগেই আমাকে প্রধান শিক্ষকের পদ থেকে সরিয়ে তিনি প্রধান শিক্ষকের চেয়ারে বসার অতি লোভনীয় আকাঙ্ক্ষায় আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন কুৎসা রটনা করে। প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে মনগড়া বানোয়াট মিথ্যা ভিত্তিহীন অভিযোগ দিয়ে আমাকে প্রধান শিক্ষকের  দায়িত্ব শেষ হওয়ার আগে সরিয়ে দিতে অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। তিনি তার ভাতিজা হোয়ানক ইউনিয়ন পরিষদের ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আশেক ইলাহীকে বশে নিয়ে আমার জন্ম সনদ সংশোধনে মেম্বারের প্রত্যায়নকে চরম মিথ্যা ভাবে অস্বীকার করে চাচা সহকারী প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফার পক্ষে আমার বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে তার স্বাক্ষর জালিয়াতি করেছি মর্মে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে। অথচ উল্লেখিত মেম্বার আমার বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর সম্মুখে নিজে স্ব-হস্তে স্বাক্ষর করেছে। বর্তমানে তিনি সাক্ষী রয়েছে।

সহকারী প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা দীর্ঘদিন থেকে শুরু করে ২০১৭ সাল পর্যন্ত আর্থিক লেনদেনের দায়িত্বে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে স্কুলের বিভিন্ন নিয়ম দুর্নীতির অভিযোগে শিক্ষা বোর্ডে দায়েরকৃত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত আসলে মাত্র এক বছরের হিসাব নিকাশে তিনি স্কুল ফান্ডের ৩ লক্ষ ৯৬ হাজার ২৭৭ টাকা আত্মসাৎ করার বিষয় ধরা পড়ে। তিনি গত ১০ অক্টোবর ২০১৭ইং তারিখে উক্ত টাকা তিন কিস্তিতে পরিশোধ করবে মর্মে অঙ্গীকারনামা প্রদান করেন।

প্রধান শিক্ষক বলেন, তিনি বছরে চার লক্ষ টাকা করে স্কুল ফান্ডের টাকা আত্মসাৎ করলে কি পরিমান দুর্নীতি করেছে তা তদন্ত করা প্রয়োজন। তিনি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক দেবেন্দ্র লাল দে এর কাছ থেকে টাকা না দিয়ে আগেভাগে দস্তখত নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক বেতন ও কোচিং ফি সহ অন্যান্য প্রাপ্ত ১ লক্ষ ৭৮ হাজার ৯ শত টাকা আত্মসাৎ করে। যা বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য এবং শিক্ষক কর্মচারী সহ সকলেই অবগত আছেন। এ সময় বিদ্যালয়ের অন্যান্য সহকারী শিক্ষকরা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে বলেন, আমরা সহকারী প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফার এহেন অপতৎপরতা এবং মিথ্যা অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

Sangbad Sarabela

সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী আবু জাফর

যোগাযোগ: । [email protected] । বিজ্ঞাপন ও বার্তা সম্পাদক: 01894944220

ঠিকানা: বার্তা ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ : বাড়ি নম্বর-২৩৪, খাইরুন্নেসা ম্যানশন, কাঁটাবন, নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা-১২০৫।

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 Sangbad Sarabela All Rights Reserved.