জানা গেছে, রণভূমি মিরেরডাঙ্গা এলাকার আলম সরদার, হালিম শেখ, মোহাম্মদ আলী, ইলিয়াস ফকির, তৈয়ব আলী শেখ, ইউসুফ আলী ফকির, মাহিরা বেগম, সুভাষ ঘোষ, রুবেল ফকির, হালিম ফকির সহ আরো অনেকের মৎস্য খামারে রাতের আঁধারে কে বা কাহারা বিষ প্রয়োগ করে। সকালে উঠে দেখতে পান মাছ মরে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। অনেকে ধার দেনা ব্যাংক ও এনজিও থেকে লোন নিয়ে খামারে মৎস্য চাষ করেছে। তারা সর্বশান্ত হয়ে গিয়েছে। দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দেওয়া হবে। তদন্তপূর্বক তারা এই ঘটনার বিচার দাবি করেন।
ক্ষতিগ্রস্ত মাহিরা বেগম জানান, রাতের আঁধারে কে বা কাহারা আমার মৎস্য খামারে বিষ প্রয়োগ করেছে। সকালে খামারে এসে দেখি মাছগুলো ভাসছে। আমার দুটো এতিম বাচ্চা রয়েছে। এই মৎস্য খামারের উপার্জন দিয়েই আমার সংসার চলে। বিষ দিয়ে মাছ মারার ফলে আমি তো শেষ হয়ে গেছি। আমি এর বিচার চাই।
সাবেক ইউপি সদস্য স্থানীয় বিএনপি নেতা শেখ মহিদুল ইসলাম জানান, দুর্বৃত্তরা রাতের আঁধারে মৎস্য খামারে বিষ প্রয়োগ করে অন্তত ১২ টি ঘেরের মাছ লুট করে নিয়ে গেছে। ফলে পরিবারগুলো সর্বস্বান্ত হয়ে গেছে। এই খামারের উপার্জন দিয়েই তাদের সংসার চলত। ব্যাংক এনজিও থেকে লোন করে তারা মৎস্য চাষ করেছে। তিনি প্রশাসনের প্রতি তদন্ত পূর্বক দুর্বৃত্তদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান। তাছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত ঘের মালিকদের সহাতার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।
জানতে চাইলে বাগেরহাট সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ উল হাসান জানান, বিষ প্রয়োগের বিষয়ে এখনো কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ থানায় দেয়নি।অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।