× প্রচ্ছদ বাংলাদেশ বিশ্ব রাজনীতি খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফ স্টাইল ভিডিও সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

আশুলিয়ায় ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন

আশুলিয়া প্রতিনিধি

২৯ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৪৯ পিএম

বিদ্যুতের ভেলকিবাজিতে অতিষ্ঠ আশুলিয়ার মানুষ।ঘন ঘন লোডশেডিং এবং বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে অতিষ্ঠি হয়ে পরেছে আশুলিয়া বাসী। বিভিন্ন এলাকায় ঘন ঘন লোড শেডিংয়ের কারণে সাধারন গ্রাহক ও পোশাক কর্মীরাও চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

কাঁঠাল বাগান এর বাসিন্দা আমিনুল বলেন, কয়েকদিন ধরে বিদ্যুৎ আসে যায়। বিদ্যুৎ না থাকলে সেদিন খাওয়া, গোসল ছাড়াই অফিসে যেতে হয়। আবার দুপুরে এসে বাসায় বিদ্যুৎ না পেলে সেই না খেয়ে ও গোসল না করে অফিসের দিকে ফিরতে হয়।

আমিনুল এর মতো বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিং এর কবলে পড়েছে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের লাখ পোশাক শ্রমিকরা। খেয়ে না খেয়ে সঠিক সময়েই অফিসে উপস্থিত হতে হচ্ছে তাদের। ঘন-ঘন বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন।

গত ৪/৫দিন ধরে আশুলিয়ার সব এলাকায় ঘন-ঘন লোডশেডিং হচ্ছে। এ কারণে শ্রমিকদের সঙ্গে বিপাকে রয়েছে ছোটো কিছু পোশাক কারখানা মালিকও।

আমেনা বেগম বলেন, রবিবার সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি কারেন্ট (বিদ্যুৎ) নেই। কারেন্ট না থাকলে তো আমরা অচল। পানি থাকে না, রান্না করা যায় না। অপেক্ষা করে চলে গেলাম অফিসে। আবার দুপুরে বাসায় এসেছি তাও একই অবস্থা। সারাদিন না খেয়ে গোসল না করেই অফিস করতে বাধ্য হইছি। এটা শুধু রবিবারের ঘটনা না গত ৪/৫ দিন থেকে এমন হচ্ছে। সকাল-দুপুর কারেন্টটুকু দিলেও তো আমরা খেয়ে অফিসে যেতে পারি ।

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, যত কষ্ট সব আমাদের। বেতন পাই কয় টাকা চাউলের (চাল) দামসহ সব কিছুর দাম বেশি। আমরা আরেক জেলা থেকে এখানে চাকরি করতে আসছি সব কিছু কিনে খেতে হয়, পানিও কিনে খেতে হয়। কয়েক দিন হলো বিদ্যুৎ একটু পরপর আসে যায়। রাতে গরমে ঘুমানো যায় না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিং চলছে। দিনে অন্তত ১০/১২ বারের বেশি সময় লোডশেডিং হয়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সন্ধ্যার পর একাধিকবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় পড়াশোনা করতে খুব কষ্ট হয়। বার বার লোডশেডিং হওয়ার ফলে লেখাপড়াও ঠিকমতো হয় না। তাই এ সমস্যা দ্রুত সমাধানের দাবি জানান তারা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক  ঢাকা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-১ এর একজন কর্মকর্তা বলেন, এখন কেন লোডশেডিং হচ্ছে আমরা সবাই জানি তবুও দোষটা আসছে আমাদের ওপর। এখানে আমাদেরও করার কিছু নেই। আমাদের যে চাহিদা, সেই চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ পেলে আর কোন সমস্যা থাকতো না। চাহিদা মতো তো পাচ্ছি না। তবে আশা করছি খুব দ্রুতই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

Sangbad Sarabela

সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী আবু জাফর

যোগাযোগ: । [email protected] । বিজ্ঞাপন ও বার্তা সম্পাদক: 01894944220

ঠিকানা: বার্তা ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ : বাড়ি নম্বর-২৩৪, খাইরুন্নেসা ম্যানশন, কাঁটাবন, নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা-১২০৫।

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 Sangbad Sarabela All Rights Reserved.