কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বৃহস্পতিবার রাতে এক সন্তানের জননী (২৫) এক নারী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ধর্ষণের ঘটনায় সাত জনের বিরুদ্ধে ফুলবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ওই নারী।
থানায় ভুক্তভোগী নারীর মামলা দায়েরের পর ফুলবাড়ী থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ফুলবাড়ী উপজেলার সদর ইউনিয়নের বালাটারি গ্রামের জহুরুল হকের ছেলে মইনুল ইসলাম (২২), ইকরামুল হকের ছেলে হাসানুল হক (২০), উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের চর বড়লই গ্রামের শাহাদত আলীর ছেলে ইয়াকুব আলী (২৫) মৃত ইলিমুদ্দিনের ছেলে লাল মিয়া (৪০), আব্দুর রহমানের ছেলে সোহেল রানা (২১) কে গ্রেপ্তার করেছে।
এ ঘটনায় জড়িত পলাতক অপর দুজন হলেন চর বড়লই গ্রামের আফজাল হোসেন সরদারের ছেলে আতিয়ার রহমান (৩৫) এবং কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের ফকিরটারি গ্রামের এরশাদুল হকের ছেলে আলামিন (২০)।
গৃহবধূর অভিযোগ ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধু মইনুল ইসলামের পূর্ব পরিচিত ছিল। গত বৃহস্পতিবার কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার সারডোব এলাকায় ওই গৃহবধূ তার বোন জামাইয়ের বাড়িতে অবস্থানকালীন সময়ে মইনুল হক তাকে স্থানীয় একটি ইউক্যালিপটাস বাগানে রাতে দেখা করতে বলেন। তার কথামতো ওই গৃহবধূ সেখানে যান। পরে মইনুল ইসলাম তার সহযোগী ইয়াকুব আলীর সাথে যোগসাজশ করে আরও ৫ যুবক মিলে ওই গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামুনুর রশিদ জানান,ভুক্তভোগী গৃহবধূর মামলা দায়েরের পর অভিযুক্ত সাত আসামির মধ্যে পাঁচজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভিকটিমের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা সহ গ্রেপ্তার আসামিদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। পলাতক অপর দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।