বাবা এক ভালোবাসার বিশালতা

|| মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ || বাবা! শব্দটির মধ্যে বিশালতার ছোঁয়া পাওয়া যায়। পাওয়া যায় নির্ভরতার আলিঙ্গন। বাবা মানে আশ্রয়। বাবা মানে একটি বৃক্ষ। বাবা মানে

ঢাকা এখন বাসযোগ্য শহরের তালিকায় শেষের দিক থেকে চার নম্বরে

তালিকায় একেবারে তলানিতে রয়েছে সিরিয়ার দামেস্ক। ১৪০টি শহরের তালিকায় শহরটির অবস্থান ১৪০তম। ১৩৯তম অবস্থানে রয়েছে নাইজেরিয়ার লাগোস। ১৩৮তম অবস্থানে পাপুয়া নিউ গিনির পোর্ট মোরেসবি। এ ছাড়া ১৩৬তম অবস্থানে আলজেরিয়ার আলজিয়ার্স, ১৩৫তম অবস্থানে লিবিয়ার ত্রিপোলি ও ১৩৪তম অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের করাচি। সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও কাঠামোগত অবস্থা কতটা খারাপ হলে যুদ্ধ বিধ্বস্ত সিরিয়ার দামেস্কের কাছাকাছি ঢাকার অবস্থান হয়।

প্রান্তিক মানুষের কাছে করোনা এখনোও গুজব

করোনা কোনো ভাইরাস নয় বা কোনো রোগ নয় এটি একটি গুজব। লকডাউন, দেশের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের একটি চাল, তাদের নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য এসব করছে।

পরিবেশবাদীরা কখনো পুঁজিবাদি হয় না

প্রাকৃতিক সম্পদের ন্যায়ভিত্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করা মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার পূর্বশর্ত। আর, প্রকৃতির নিয়মের ব্যত্যয় ঘটলে আমাদের জীবনে বিপত্তি নেমে আসবে। এটাই স্বাভাবিক।

শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্কট নিরসনে সমাধান কোথায়

করোনাকালে দক্ষিণ এশিয়ায় মধ্যে সবচেয়ে বেশী সময় ধরে বন্ধ রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে মালিকদের প্রণোদনা দেয়াসহ অনান্য সকল কিছু স্বাভাবিক রাখা হলেও শিক্ষায় নেই কোন সহায়তা উদ্যোগ। উপরন্তু একেবারে বন্ধই রাখা হয়েছে দেশের পাঁচ কোটি শিক্ষার্থির পড়ালেখা।

যথেচ্ছ রদবদল আর দুর্নীতিতে অস্থির রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্যখাত : ভোগান্তিতে মানুষ

কিছু অসাধু লোক এই সংকটকালীন পরিস্থিতির ফায়দা লুটছে। মাস্ক থেকে শুরু করে হাসপাতালের বিছানা পর্যান্ত দুর্নীতির জালে ফেলে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে তারা। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সাথে জড়িত উর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে নিম্ন পর্যায়ের কর্মচারীরাও করোনা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন জালিয়াতিতে জড়িয়ে পড়ছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি ও বিপর্যয়ে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।

পুরান ঢাকার আগুন এবং ভোলারাম বাঙালী!

ল্যান্ড রিডেভেলপমেন্ট করলে রাস্তাও প্রশস্ত হতো, আগুন নেভানোর পানিও পাওয়া যেত। অ্যাম্বুলেন্সও দাঁড়াতে পারত। মুষ্টিমেয় কিছু লোকের কারণে এটি বাস্তবায়ন করা যায়নি। অথচ রিডেভেলপমেন্ট ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতেই হবে। আমরা আর কোন অস্বাভাবিক মৃত্যু চাই না। সরকার আমাদের স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি দিক।

পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে দরকার পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়

নিজ বাহিনীর মধ্যে তেমন কোন উচ্চশিক্ষার ব্যবস্থা না থাকায়, একদিকে যেমন তাদের দক্ষতা বাড়ছে না, তেমনি তারা নিজেদেরকে গড়ে তুলতে পারছেন না স্বশিক্ষায় শিক্ষিত করে। যদিও বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য সংখ্যা এখন দুই লাখের বেশী।

লকডাউনে আনলক দেশ!

লকডাউনের ব্যাপারে হুঙ্কার আছে; সাথে আছে শৈথিল্যও। বলা যায় অদ্ভুত এক লকডাউনে দেশ। সরকারী নির্দেশনায় বলা হয়েছে বই মেলা চলবে, শিল্পকারখানা চলবে, ব্যাংক অফিস-আদালত চলবে, তবে সীমিত পরিসরে। প্রশ্ন হলো এসব কাদের জন্য চালু থাকবে।

সংবাদ সারাবেলা