পুরান ঢাকার আগুন এবং ভোলারাম বাঙালী!

ল্যান্ড রিডেভেলপমেন্ট করলে রাস্তাও প্রশস্ত হতো, আগুন নেভানোর পানিও পাওয়া যেত। অ্যাম্বুলেন্সও দাঁড়াতে পারত। মুষ্টিমেয় কিছু লোকের কারণে এটি বাস্তবায়ন করা যায়নি। অথচ রিডেভেলপমেন্ট ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতেই হবে। আমরা আর কোন অস্বাভাবিক মৃত্যু চাই না। সরকার আমাদের স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি দিক।

পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে দরকার পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়

নিজ বাহিনীর মধ্যে তেমন কোন উচ্চশিক্ষার ব্যবস্থা না থাকায়, একদিকে যেমন তাদের দক্ষতা বাড়ছে না, তেমনি তারা নিজেদেরকে গড়ে তুলতে পারছেন না স্বশিক্ষায় শিক্ষিত করে। যদিও বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য সংখ্যা এখন দুই লাখের বেশী।

লকডাউনে আনলক দেশ!

লকডাউনের ব্যাপারে হুঙ্কার আছে; সাথে আছে শৈথিল্যও। বলা যায় অদ্ভুত এক লকডাউনে দেশ। সরকারী নির্দেশনায় বলা হয়েছে বই মেলা চলবে, শিল্পকারখানা চলবে, ব্যাংক অফিস-আদালত চলবে, তবে সীমিত পরিসরে। প্রশ্ন হলো এসব কাদের জন্য চালু থাকবে।

অটিজম নিয়ে কুসংস্কার নয় দরকার সচেতনা

অটিজমের প্রতিটি শিশুই বিশেষ প্রতিভাবান সম্পন্ন। তাদের প্রত্যেকের মধ্যেই নির্দিষ্ট কোন বিষয়ে দক্ষতা থাকে। এমন অনেক শিশু আছে যারা অটিজম আক্রান্ত হলেও মাত্রা কম, তাদের অনেকেই স্বাভাবিক শিশুদের মতন লেখাপড়া করতে পারে। আবার অনেকের গাণিতিক দক্ষতা স্বাভাবিক শিশুদের থেকেও বেশি হয়ে থাকে।

ধর্ম, জিরাফ ও মুড়িঘণ্ট

শিগিগরই আপোসরফার টেবিলে ওই লাশগুলোকে উপাদেয় নাশতা হিসেবে সরবরাহ করা হবে। সেই আপোসরফার টেবিল থেকে দুই দুর্বৃত্তকেই লাথি মেরে সরানোর তাগৎ যেদিন এদেশের মানুষ অর্জন করবে, সেদিনই প্রকৃত স্বাধীনতার জয়ন্তী উদযাপিত হবে। মনে হয় না দিনটি বেশি দূরে।

রাষ্ট্রিয় ও সামাজিক জীবনের অনাচার রুখতে রাজু স্মরণ

সন্ত্রাসী গুলির একটি রাজুর মাথা ভেদ করে চলে যায়। পরে ঢাকা মেডিকেললে নিয়েও বাঁচানো যায়নি রাজুকে। রাজু চলে যান সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাসের স্বপ্ন অন্য সবার মাঝে ছড়িয়ে দিয়ে।

সকল স্বাধীনতা নিশ্চয়নের উৎস হোক ৭ই মার্চের ভাষণ

ভাষণটির একটি বড় বৈশিষ্ট্য হল এর সার্বজনীনতা ও মানবিকতা। যে কোনো নিপীড়িত জনগোষ্ঠীর জন্য এ ভাষণ সবসময়ই আবেদনময়। এ ভাষণে গণতন্ত্র, আত্মনিয়ন্ত্রণ, স্বাধিকার, মানবতা এবং সব মানুষের কথা বলা হয়েছে। ফলে এ ভাষণ দেশকালের গণ্ডি ছাড়িয়ে হয়েছে সার্বজনীন।

৭ই মার্চের ভাষণে শাসনতন্ত্র…

এখানে গুরুত্বপূর্ন হচ্ছে- এই ৪০৩ জন ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থী, যারা নির্বাচিত হয়েছিলেন পাকিস্থান রাষ্ট্রের সংবিধান রচনার জন্য। এরা কেউ স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্য নির্বাচিত নন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর নিঃসন্দেহে আমাদের সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক সর্বোপরি জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার ১৮০ ডিগ্রী এঙ্গেলে পরিবর্তন হয়।

সাতই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের অন্তর্নিহিত সত্য

বঙ্গবন্ধু তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণে ব্যক্ত করেছিলেন স্বাধীনতার অভিপ্রায়। ঐতিহাসিক এই ভাষণটিতে ঘনীভূত হয়ে আছে রাজনৈতিক অধিকার বঞ্চিত বাঙালী জাতির কয়েকটি শতক। কী করে এমনটি হয়? ইতিহাসে সে প্রশ্নের উত্তর নিহিত আছে।

আমাদের সড়ক আর নিরাপদ হলো না

সড়ক দুর্ঘটনায় ফি বছর ৭ হাজার কোটি টাকারও বেশি সম্পদহানি হয়। এই হার দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১ দশমিক ৯৫ শতাংশের সমান।

সংবাদ সারাবেলা