করোনাকালে খরচ কমিয়েছেন দেশের ৭৮ শতাংশ মানুষ

“অনেকগুলো বেসরকারি সংস্থা দেশের প্রয়োজনে বিশেষ সময়ে অনেক পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এসব পরামর্শ কী সরকার শোনে, নাকি তাদের মতো করে চালাচ্ছেন।“

লকডাউনে বিপর্যস্ত বাবুরহটের অর্থনীতি ব্যবসায়ী শ্রমিকদের বেঁচে থাকই দায়

আগামীপরশু (রোববার) থেকে লকডাউনের মধ্যেই সকাল ১০টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার ঘোষনায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে বাবুরহাটের সংশ্লিষ্ট মানুষগুলোর মাঝে।

এলপিজির ১২ কেজির সিলিন্ডারের সর্বোচ্চ দাম ৯৭৫ টাকা

হাতবদলের ক্ষেত্রে ১২ কেজির বোতলের পরিবহন ভাড়াসহ ডিস্ট্রিবিউটর বা বিপণন চার্জ ৫০ টাকা, ডিলার রিটেইলারের চার্জ ৩০ টাকা সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৯৭৫ টাকার সঙ্গে যুক্ত আছে।

করোনার একবছরে বিশ্বে ধনীর সংখ্যাই বেড়েছে

|| বার্তা সারাবেলা || করোনাভাইরাস মহামারীর এই চরম দুর্দিনেও রাষ্ট্র ও সরকারগুলোর নেয়া পদক্ষেপগুলো বেশীরভাগই ধনীদের পক্ষে। প্রণোদনা থেকে শুরু করে সকল আর্থিক কর্মসূচির মধ্যে

বাঙ্গিতে ভরপুর কুমিল্লার চরের মাঠ ভালো দামে খুশি কৃষক

অধিকাংশ সড়ক ভাঙা-চোরা। বেশ কয়েকটি কালর্ভাটও ভাঙা। যে কারণে বড় কোনো ট্রাক ঢুকতে পারে না। তাই স্থানীয় বাজারেই বাঙ্গি বিক্রি করতে হয় চাষীদের। যদি সড়ক সংস্কার ও কালভার্টগুলো মেরামত করা যেতো, তাহলে অন্যান্য জেলা সদরের পাইকাররা অনায়াসে আমাদের এলাকায় এসে বাঙ্গি কিনে নিয়ে যেতে পারতো।

মুজিব কর্নার হলো জনতা ব্যাংক ভবনে

‘মুজিব কর্নার’ স্থাপন করেছে জনতা ব্যাংক। এটা জাতির পিতার প্রতি আমাদের সম্মান। জাতির পিতা মৃত্যুঞ্জয়ী। জাতির পিতা আমাদের সকল ভাল কাজের অনুপ্রেরণা। তিনি আমাদের পথ দেখিয়ে যাচ্ছেন। তিনি আমাদের উৎসাহিত করছেন। এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্ম তারই দেখানো পথ অনুসরন করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আগামী প্রজন্মের সাথে সেতুবন্ধ রচনা করবে এই মুজিব কর্ণার।

সাফল্যে সূর্যমূখী চাষ বাড়ছে হবিগঞ্জে

সূর্যের দিকে মুখ করে থাকা এই ফুলের চাষ এখন উপজেলার ‍বিভিন্ন গ্রামে। বেশীর ভাগ গাছেই ফুল ধরেতে শুরু করেছে। চারিদিকে হলুদ রঙের ফুলের মেলায় দাবড়ে বেড়াচ্ছে মৌমাছির দল।

চাষের শুরুতেই সূর্যমূখীতে হাসছেন গাজীপুরের কৃষক

যেহেতু বাজারে বর্তমানে খাবার তেলের দাম বেশি এবং সূর্যমুখীর তেলের দাম আরো বেশি, তাই অন্যান্য ফসলের চেয়ে সূর্যমুখী চাষে বেশি লাভের আশা করছেন তারা।

অনশনে মেহেরপুরের তামাকচাষীরা

চাষীদের দাবী শতভাগ মালিকানাধীন দেশীয় তামাক কোম্পানির জন্য পৃথক নীতিমালা না থাকায় বিদেশি কোম্পানিগুলোর কাছে দেশিয় কোম্পানিগুলো জিম্মি হয়ে যাচ্ছে। এতে চাষীরা তামাকের নায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এবং তামাক উৎপাদন ও ব্যবসা বিদেশী কোম্পানির সিন্ডিকেশনের শিকার হচ্ছে।

সংবাদ সারাবেলা