মোহনপুর লঞ্চঘাটের টোল ফ্রি করে দিলেন শিল্পপতি কাজী মিজানুর রহমান

কাজী মিজানুর রহমান বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চেয়েছিলেন শোষনমুক্ত একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তার সাথে আমরা যার যার জায়গা থেকে উন্নয়নে অংশ নেব।

|| মতলবউত্তর (চাঁদপুর) প্রতিনিধি ||

এখন থেকে আর টোল লাগবে না চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর লঞ্চঘাটে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকী ও শোকের মাস উপলক্ষে লঞ্চঘাটকে টোলফ্রি করার ঘোষণা দেন সংবাদ সারাবেলা’র সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি, মোহনপুর পর্যটন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং মতলব উওর উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা কাজী মিজানুর রহমান।

শনিবার দুপুরে টোল ফ্রি যাতায়াত কার্যক্রম উদ্বোধন করার পর যাত্রীসাধারন আবেগআপ্লুত হয়ে বলেন, ব্রিটিশ আমলে এই লঞ্চঘাটের কার্যক্রম শুরু হয়ে আজতক চলছে৷ আমরা এতোদিন টোল দিয়েই লঞ্চে যাতায়াত করেছি৷ আজ আওয়ামী লীগ নেতা কাজী মিজানুর রহমান এই ঘাটের যাত্রী ও মালামাল ওঠা-নামাসহ সকল প্রকার টোল ফ্রি করে দিয়ে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন। আমরা তার এই মহতি উদ্যোগকে স্বাগত জানাই এবং তার দীর্ঘায়ু কামনা করি৷

মোহনপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল হাই প্রধান বলেন, বর্তমানে কাজী মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে মোহনপুরে উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ তিনি লঞ্চঘাট টোল ফ্রি করলেন। এতে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কাজী মিজানুর রহমান বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চেয়েছিলেন শোষনমুক্ত একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। নিজের জীবনবাজি রেখে দেশের উন্নয়ন করছেন। তার সাথে আমরা যার যার জায়গা থেকে উন্নয়নে অংশ নেব। তারই ধারাবাহিকতায় আজ ২৮শে আগস্ট থেকে আগামী ১ বছর মোহনপুর লঞ্চঘাটে যাত্রীওঠা-নামাসহ সকল প্রকার  টোল ফ্রি করে দিয়েছি। সরকারি টোল আমি ব্যক্তিগতভাবে বহন করবো। জাতীয় শোকের মাস উপলক্ষে এই কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। পরবর্তীতে মোহনপুর বাজারও ফ্রি করে দেওয়া হবে বলে সকলের কাছে দোয়া চান তিনি৷

আরও পড়ুনঃ  পরীক্ষা নেয়া আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে সোচ্চারন মৌলভীবাজারে

এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রাধেশ্যাম সাহা চান্দু বাবু, মোহনপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই প্রধান, মোহনপুর লঞ্চঘাটের ইজারাদার বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদিন ফকির, মোহনপুর ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী লাভলী বেগম প্রমুখ৷

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিলডেক্স মিডিয়া লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও মোহনপুর পর্যটন লিমিটেডের সিইও কাজী আবু জাফর, মতলব উত্তর উপজেলা যুবলীগের সদস্য কাজী হাবিবুর রহমান, মোহনপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মো. বিল্লাল হোসেন তপদার, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন জয়, আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম হোসেন, মোহনপুর ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী মানছুরা হাওলাদারসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ৷

আগামী দিনেও এলাকার জনগণের মাঝে শিল্পপতি ও সমাজসেবক কাজী মিজানুর রহমানের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড অব্যা়হত থাকবে এবং তার সফল নেতৃত্বে এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এলাকাবাসীর এমনটাই প্রত্যাশা৷

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সংবাদ সারাবেলা